আপনি যদি মোবাইল এর স্পিড কেন কমে গেল সেটা জানতে ‍চান তাহলে আগে জানতে হবে যে কেন মোবাাইলে স্পিড কমে?। স্পিড কমার মুল কথা হলো মোবাইলে রেম কম থাকা এবং প্রসেসর নিম্নমানের হওয়া। আপনি যদি মোবাইল এর স্পিড সব সময় যদি গতিশীল রাখতে চান তাহলে আপনার মোবাইল ক্রয় করার সময়ে মোবাইল এর গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন  সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। মোবাইল এর রেম কত। এভাবে যদি বুঝতে পারেন তাহলে মোবাইল ব্যবহার করে কখনও সমস্যাতে পড়বেন না। 

 

অনেকেই আছে মনে করে ভালো ব্যান্ড এর মোবাইল বা বড় স্ক্রীনএর মোবাইল ক্রয় করলেই হয়তো মোবাইল ভালো কাজ করবে। কিন্ত এই কথা ভুল। আপনার মোবাইল এর যদি ম্পিড ভালো রাখতে চান তাহলে অবশ্যই সেটা ভালো প্রসেসর এবং রেম দ্বারাই সম্ভব। তাও আপনি যদি সেই মোবাইল ক্রয় করেই ফেলেন এবং মোবাইল এর স্পিড কমে যায়। এখন সেটা কি করে ঠিক করবেন আজকে সেটা নিয়েই কথা বলবো।

 

মোবাইল ফোনকে গতিশীল করার  সেরা ৫ টি উপায়

 

RAM Booster apps ব্যবহার করা:

 

আপনি যদি মোবাইল গতিশীল রাখতে চান তাহলে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। যাতে করে আপনার মোবাইল এর স্পিড না কমে কখনও। আপনি আপনার মোবাইল গতিশীল রাখতে অবশ্যই সব সময় রেম ক্লেয়ার রাখতে চেষ্টা করবেন। এভাবে আপনার মোবাইলের রেম যতটা ফ্রি রাখবেন মোবাইল ততটা স্মুথ চলবে। সেই কারনে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে মোবাইলের রেম ক্লেয়ার রাখতে হয়। মোবাইল এর রেম ক্লেয়ার রাখার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো RAM Booster apps।

 

 এই RAM Booster apps দিয়ে আপনি অটোমেটিক আপনার মোবাইল এর মাঝে রেম ক্লেয়ার রাখতে পারবেন। যার ফলে  ‌আপনার মোবাইল কখনও হ্যাং করবে না। আপনার মোবাইল এর কত শতাংশ জায়গা ব্যবহার করা হয়েছে সেটা RAM Booster apps আপনাকে সব সময় আপডেট দিবে। আপনি কতটা জায়গা ব্যবহার করা উচিত এবং যখন সেটা অতিরিক্ত পরিমান মোবাইলের জাগয়া ভরে যাবে সেটা দেখিয়ে দিবে। এই কারনে মোবাইলের মাঝে সব সময় RAM Booster apps ব্যবহার করবেন। 

 

অপ্রয়োজনীয় apps আনইনস্টল করুন:

 

আপনার স্মার্টফোনে যেসকল ও প্রয়োজনীয় অ্যাপ ইন্সটল করা আছে সেগুলো কে আনইন্সটল করে ফেলুন। কারন প্রতিটা অ্যাপ রেম এর মাঝে একটা জাগয়া দখল করে থাকে। তারা রেম ছাড়া রান করতে পারে না। সেই কারনে দেখা যায় যখন ঠিক ভাবে মোবাইল না চলে তখন চেক দিলে দেখবেন আপনার মোবাইল এর মাঝে রেম এর তুলনায় জায়গা বেশি দখল হয়ে আছে। মুলত যখন বেশি পরিমান অ্যাপ ইনষ্টল করা হবে তখন মোবাইল রান করার মতো জায়গা পায় না বলে তখন মোবাইল হ্যাং করে ফেলে সেই কারনে এই রকম সমস্যা হলে মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো।

 

 আপনি লক্ষ্য করলেই দেখবেন যারা মোবাাইল কম বুঝে তারা একবার মোবাইল ক্রয় করলেই সমানে যে অ্যাপ সামনে পায় সেটাই ইনষ্টল করে ব্যবহার করে থাকে। কিন্ত তারা এইটা ভাবে না যে কেন এইটা ব্যবহার করবে। বিনিময়ে তারা নানা সমস্যা ফেইস করে থাকে। তারপরে দেখবেন যে তারা এই এতো অ্যাপ ডাউনলোড করেছে কিন্ত সেগুলো আর ব্যবহার করার দরকার নেই। কিন্ত কি করে সেই গুলো apps আনইনস্টল করবে সেটাও তো জানে না। এমন কি apps আনইনস্টল কি সেটাও তার জানা নেই। সেই কারনে তাদের তখন মোবাইল এর মাঝে এতোটা পেসার পড়ে যে মোবাইল আর আগের মতে ‍চলে ‍না। সেই কারনে মোবাইল ব্যবহার করেও কোন ‍শান্তি পায় না। সেইটা থেকে বেচে থাকার একমাত্র রাস্তা হলো apps আনইনস্টল করা। আপনি যে অ্যাপ গুলো ব্যবহার করার প্রয়োজন অনুভব করবেন না সেগুলো আনষ্টল করে ফেলবেন। দেখবেন মোবাইল এর  স্পিড বেড়ে গেছে।

 

Apps update করে রাখবেন:

 

চেষ্টা করবেন মোবাইলে অটো আপডেট অন করে রাখতে । আপনি যদি চান যে আপনার মোবাইল এর স্পিড সব সময় অটোমেটিক ভ‍াবে ঠিক থাক সেটা একমাত্র সমাধান হলো Apps update অন করে রাখা। অনেক সময় দেখা যায় প্রতিটা ডেভোলপাররা নতুন করে নানা ফিচার এবং স্পিড এ্যাড করে তারপরে সেই আগের অ্যাপটাকে আপডেট করতে বলে । এজন্য আপনি যদি আপনার মোবাইলের মাঝে Apps update অন করে রাখেন তাহলে দেখবেন যে আপনার মোবাইল কখনও দুবল হয়ে যাবে না। এর ফলে মোবাাইল এর স্পিড কমে যাবে না। আশা করি কেন মোবাইলের Apps update অন রাখবেন সেটা বুঝতে পেরেছেন।

 

Clear cache from storage:

 

মোবাইল এর মাঝে অতিরিক্ত যে কুকিজ গুলো থাকে সেই গুলো সব সময় ক্লেয়‍ার করে রাখবেন। মোবাইলে এর মাঝে সব সময় Clear cache from storage করে রাখবেন। কুকিজ মুলত রেম এর মাঝে অ্যাপ কাজ করার ফলে যে জাগয়া টুকু দখল হয় সেই অংশ টুকু । সেই কারনে আপনি যদি Clear cache from storage করে রাখেন তাহলে আপনার সেই মোবাইলের স্পিড রান করার জায়গা পাবে।  আবার অনেক পুরাতন যে অ্যাপ গুলো ‍আইনষ্টল করা হয়েছে সেই গুলোর যে কুকিজ থাকে চাইলে সেই জায়গা টুকুও আপনারা ক্লে‍য়ার করে দিতে পারেন এতে করে মোবাইল এর স্পিড অনেক ভালো থাকে। 

 

মোবাইল রিস্টার্ট দেওয়া:

 

উপরের দেওয়া সকল কাজ করেও যদি মোবাইল এর স্পিড না বাড়ে তাহলে শেষ চিকিৎসা হলো মোবাইল রিস্টাট দেওয়া। এই সকল কাজ করার পরেও যদি মোবাইল এর স্পিড না বাড়ে তাহলে আপনি শুদু সেটিংস থেকে গিয়ে রিস্টাট দিয়ে দিবেন। দেখবেন আপনার মোবাইল এর মাঝে থাকা যাবতীয় ডাটা ক্লেয়ার হয়ে গেছে। এবং আপনার মোবাইল একদম নতুন ক্রয় করার পরে যেমন ছিলো তেমনই হয়ে যাবে। তবে একটা কথা তখন আপনার মোবাইলের মাঝে থাকা যাবতীয় অ্যাপ এবং ডাটা কেটে যাবে।

 

শেষ কথা 

 

আশা করি আজকের আর্টিকেলটি পড়ে মোবাইল ফোনকে কিভাবে গতিশীল করা যায় সেই সম্পর্কে জানতে পেরেছেন ।আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার যদি কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন।

 

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *